ব্রেকিং নিউজ:
★জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা "বাংলাদেশ ট্রিবিউন" বিভিন্ন জেলা/উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আবেদন করতে bangladeshtribune52@gmail.com ঐই মেইলে সিভি পাঠান।
শিরোনাম :
নীলফামারীর এসপি মোখলেছুর রহমান করোনায় আক্রান্ত পঞ্চগড়ে স্কুল এন্ড কলেজের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হাটহাজারীতে Auto Max এর শুভ উদ্ভোধন রায়পুরা আদিয়াবাদ ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত সৈয়দপুরে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত ঝালকাঠিতে ৩১ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ১১টি মাছ ধরার নৌকা ও ২৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ নলছিটিতে পরোকীয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন দূর্গা পূজাতে ২০ হাজার টাকা করে উপহার চেক প্রদান করেন-চুমকি এম,পি ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্য বিভাগের নবনির্মিত দুটি ভবনের ভ্যার্চুয়াল সংযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভোধন করেছেন জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি বড়াইগ্রামে শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক কর্মশালা

ভূল রিপোর্ট দিয়ে ডায়াগনস্টিক ব্যবসা চালাচ্ছে পেশেন্ট কেয়ার

মাসুম বিল্লাহ
  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৭ বার

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় নিয়ম কানুন না মেনে পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভূল রিপোর্টের কারনে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেক গরীব পরিবার। মানহীন এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কারণে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট আসায় চরম বিপাকে পড়ছেন অনেকেই।
ভুক্তভােগী মোঃ জুলফিকার আলী শেখ পেষায় কৃষক। খোঁজ নিয়ে
জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতা জনিত কারনে গত ২ সেপ্টেম্বর কচুয়া মীর মাকের্টের ২য় তলায় পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্টের জন্য আসেন। টেস্টের রিপোর্টে ক্রিয়েটিনাইন ১.৮৩ আসে। চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী রোগ নির্ণয় করেন এবং সে আলোকে ওষুধ দেন জুলফিকার আলীকে। রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসক জানান তার দুটি কিডনিতেই সমস্যা। এতে চরম হতাশায় পড়েন তার পরিবার এবং রিপোর্ট অনুযায়ী ঔষধ সেবন করে রোগ মুক্তির বদলে তার শরীরে নতুন জটিলতার সৃষ্টি হয়। দুই দিন ঔষধ সেবনের পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় দরিদ্র জুফিকারকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হলে জানা যায় তার শরীরে কিডনি জনিত কোন সমস্যা নেই। সেখানে টেস্টের রিপোর্টে ক্রিয়েটিনাইন ০.৯২ আসে। গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যায় তিনি অসুস্থ্য। দীর্ঘ ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে আসেন। ভুল রিপোর্টের কারনে তার জীবন বাঁচাতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়। শুধু জুলফিকারই নন কচুয়া সদর, মঘিয়া, জুসখোলা ও ভাষা গ্রামের একাধিক লোক অভিযোগ করে বলেন তারাও পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এ ধরনের ভূল রিপোর্টের কারনে চরম ভোগান্তীর সম্মূখিন হয়েছেন। এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারনে তৈরি হচ্ছে নতুন রোগ।
এদিকে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করতে একজন এমবিবিএস ডাক্তার, একজন বিএসসি টেকনিশিয়্যান খুবই জরুরী কিন্তু এখানে তার কিছুই নেই পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। নেই বর্জ্য নিস্কাশনের সঠিক কোন ব্যবস্থা। টেস্ট করার সঠিক যন্ত্রাংশসহ অনেক ল্যাবরেটরী সংশ্লিষ্ট উপকরণ থাকার প্রয়োজন তার কোনটাই নাই পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। হাসিবুর রহমান, মাহন মন্ডল, ফরহাদ হোসেন ও মোঃ সুমন এই ৪জন শেয়ার হোল্ডার ও একজন কর্মচারী মিলে পরিচালনা করছেন ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যার মধ্যে হাসিবুর রহমান নামে একজন ল্যাব টেকনিশিয়্যান ছাড়া অন্য তিন শেয়ারহোল্ডার যাদের কারো কোন সার্টিফিকেট নাই। সম্পূর্ন বেআইনী ও নিয়ম বহিঃর্ভূত নিজেদের ইচ্ছা খুশিমত জনগনকে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এদের ভূয়া রিপোর্টের ফলে সাধারন মানুষ আর্থিক ও শারিরীক ভাবে পড়ছে চরম বিপাকে। নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার।
ডাঃ গৌতম হোসেন মন্ডল বলেন, চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী রোগ নির্ণয় করেন এবং সে আলোকে ওষুধ দেওয়া হয়েছে জুলফিকার আলীকে।
বাগেরহাট সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির জানান, ক্রিয়েটিনইিন ০.৬ থেকে ১.২ পর্যন্ত থাকলে কিডনি অবস্থা স্বভাবিক থাকে। সে ক্ষেত্রে কিডনি জনিত কিছুটা জটিলতা থাকায় রিপোর্টে ক্রিয়েটিনইিন ১.৮৩ আসে। ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা থাকলে ও সরকারীনিয়ম-কানুন না মেনে পরিচালনা করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজ শেয়ার করুন

এ জাতীয় সকল খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com